আমাদের দেশে প্রতিদিনই মানুষ নতুন করে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করছেন। আবেদন করতে যেয়ে তারা নানানভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বাংলাদেশে এখন অসংখ্য আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস রয়েছে যেখান থেকে যে কেউ খুব সহজেই পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করে পাসপোর্ট পেতে পারেন। তাহলে কেনো মানুষ প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছে!!!
*পাসপোর্ট করতে কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন টা না জানার কারনে।
*এক শ্রেণীর অসাধু দালালদের কারনে।
*পাসপোর্ট করা খুব কঠিন এই ভুল ধারনার কারনে।
*পুলিশ ভেরিফিকেশন ব্যাপারটা ঝামেলা মনে করার কারনে।
*এবং অবশ্যই আমাদের সচেতনতার অভাবের কারনে।
আসুন জেনে নিই কিভাবে খুব সহজে আমরা পাসপোর্টের জন্য আবেদন করবো...।
১. পাসপোর্ট আবেদনের জন্য ফরম রয়েছে চার পৃষ্ঠার যেটা আপনি অনলাইন থেকে ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে পারেন অথবা যেকোনো আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে(ফ্রি) সংগ্রহ করে নিতে পারেন । ঢাকা এবং এর আশে পাশের এলাকার ফটোকপির দোকানগুলোতেও পাসপোর্টের ফরম পাওয়া যায় (৪টাকা করে) । এছাড়া আপনি চাইলে অনলাইনে নিচের লিঙ্কে যেয়ে ফর্ম পূরন করে প্রিন্ট করে নিতে পারেন। মনে রাখবেন হাতে লেখার ক্ষেত্রে ফরম দুই কপি পূরন করতে হবে। অর্থাৎ একই ফর্ম দুইবার পুরন করবেন । অনলাইনের ক্ষেত্রে পুরন করে দুই কপি প্রিন্ট দিবেন। http://www.passport.gov.bd/
লিঙ্কের নিচে দান পাশে টিক দিয়ে continue to online enrolment এ ক্লিক করবেন তাহলে ফর্ম এর পেজ চলে আসবে।
(আমার পরবর্তি লেখাতে অনলাইন এবং হাতে ফর্ম পূরনের সবকিছু বিস্তারিত আলোচনা করবো)
২. পাসপোর্টের জন্য নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে মানি রিসিটটি সংগ্রহ করুন। অবশ্যি ফর্মে যে নাম দিবেন টাকা জমা দেওয়ার স্লিপেও হুবহু সেই নাম ব্যবহার করবেন।
নিচে পাসপোর্টের ফি এর বিস্তারিত ছবি দেওয়া হয়েছে।
৩. পাসপোর্টের ফর্মে একটা অংশে সত্যায়িত করতে হবে এলাকার কাউন্সিলর,মেয়র, স্কুল কলেজের প্রিন্সিপাল/অধ্যক্ষ যেকোনো প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার দিয়ে। সাথে একটা পাসপোর্ট করার/ চারিত্রিক সনদপত্র নিয়ে নিবে(কোনো অফিসে এটা চায় যদিও প্রয়োজন নয়)। দুই কপি ফর্মের উপরে ডানপাশে পাসপোর্ট সাইজের ছবি আঠা দিয়ে লাগাবেন। লাগানর পর সাই দুই কপি ছবির উপর সত্যায়িত করতে হবে যেন সিল ও সাইন ফর্ম এবং ছবি দুটার মধ্যেই পড়ে।
৪. আপনি যে পেশার সাথে জড়িত তার প্রমান স্বরূপ কাগজ নিবেন। স্টুডেন্ট এর ক্ষেত্রে আইডি কার্ডের ফটোকপি। ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ফটোকপি নিবে এবং আপনার স্থায়ী বা অস্থায়ী ঠিকানার বিদ্যুৎ বিলের ফটোকপি নিবেন।
৫. যে যার অঞ্চল অনুযায়ী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে চলে যাবেন সকালে অবশ্যই ১২.০০ টার আগে। রবিবার এবং বৃহস্পতিবার একটু ভির হয়। যেদিন জমা দিবেন সেদিনই সব কাজ কপ্লিট হয়ে যাবে তাই সুন্দর পোশাক করে যাবেন ছবি তোলার জন্য। সাদা পোশাক পরে যাবেন না এবং ফর্মের ছবিও চেস্টা করবেন সাদা পোশাক পড়ে না তুলতে।
৬. অফিসের কাজগুলো ঠিকভাবে সম্পাদন করবেন। প্রথমে কম্পিউটারের আপনার নাম ঠিকানা পুরনের পর যে কাগজ দিবে তা ভালোকরে পড়বেন কোথাও ভুল আছে কিনা দেখতে। নামের বানান বা কোথাও ভুল থাকলে সাথে সাথেই ঠিক করে নিবেন। পরবর্তিতে সব শেষ করার পর যে রিসিট টা আপনাকে দিবে সেটা যত্ন করে রেখে দিবেন। যেদিন পাসপোর্ট নিতে আসবেন সেদিন ওই রিসিট টা দেখিয়ে পাসপোর্ট ডেলিভারি নিতে হবে।
৭. পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ফর্ম পূরনের ৫-৭ দিনের মধ্যেই আপনার মোবাইলে কল করা হবে । ভেরিফিকেশনের সময় অবশ্যই আপনার বিদ্যুৎ বিলের ফটোকপি সাথে নিবেন। ভেরিফিকেশনের পর নির্ধারিত সময়ে পাসপোর্ট প্রিন্ট হয়ে রেডি হলে আপনার মোবাইলে মেসেজ আসবে অথবা আপনি নির্ধারিত সময়ের পর রিসিটে লেখা নিয়ম অনুযায়ী মেসেজ দিলে আপনার পাসপোর্ট হয়েছে কিনা জানতে পারবেন।
আমার লেখার মাধ্যমে আপনাদের সামান্য উপকার হলে আমি কৃতজ্ঞ হব। ধন্যবাদ।
(কোনো প্রকার প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন আমি সময় পেলে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব)।
*পাসপোর্ট করতে কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন টা না জানার কারনে।
*এক শ্রেণীর অসাধু দালালদের কারনে।
*পাসপোর্ট করা খুব কঠিন এই ভুল ধারনার কারনে।
*পুলিশ ভেরিফিকেশন ব্যাপারটা ঝামেলা মনে করার কারনে।
*এবং অবশ্যই আমাদের সচেতনতার অভাবের কারনে।
আসুন জেনে নিই কিভাবে খুব সহজে আমরা পাসপোর্টের জন্য আবেদন করবো...।
১. পাসপোর্ট আবেদনের জন্য ফরম রয়েছে চার পৃষ্ঠার যেটা আপনি অনলাইন থেকে ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে পারেন অথবা যেকোনো আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে(ফ্রি) সংগ্রহ করে নিতে পারেন । ঢাকা এবং এর আশে পাশের এলাকার ফটোকপির দোকানগুলোতেও পাসপোর্টের ফরম পাওয়া যায় (৪টাকা করে) । এছাড়া আপনি চাইলে অনলাইনে নিচের লিঙ্কে যেয়ে ফর্ম পূরন করে প্রিন্ট করে নিতে পারেন। মনে রাখবেন হাতে লেখার ক্ষেত্রে ফরম দুই কপি পূরন করতে হবে। অর্থাৎ একই ফর্ম দুইবার পুরন করবেন । অনলাইনের ক্ষেত্রে পুরন করে দুই কপি প্রিন্ট দিবেন। http://www.passport.gov.bd/
লিঙ্কের নিচে দান পাশে টিক দিয়ে continue to online enrolment এ ক্লিক করবেন তাহলে ফর্ম এর পেজ চলে আসবে।
(আমার পরবর্তি লেখাতে অনলাইন এবং হাতে ফর্ম পূরনের সবকিছু বিস্তারিত আলোচনা করবো)
২. পাসপোর্টের জন্য নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে মানি রিসিটটি সংগ্রহ করুন। অবশ্যি ফর্মে যে নাম দিবেন টাকা জমা দেওয়ার স্লিপেও হুবহু সেই নাম ব্যবহার করবেন।
নিচে পাসপোর্টের ফি এর বিস্তারিত ছবি দেওয়া হয়েছে।
৩. পাসপোর্টের ফর্মে একটা অংশে সত্যায়িত করতে হবে এলাকার কাউন্সিলর,মেয়র, স্কুল কলেজের প্রিন্সিপাল/অধ্যক্ষ যেকোনো প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার দিয়ে। সাথে একটা পাসপোর্ট করার/ চারিত্রিক সনদপত্র নিয়ে নিবে(কোনো অফিসে এটা চায় যদিও প্রয়োজন নয়)। দুই কপি ফর্মের উপরে ডানপাশে পাসপোর্ট সাইজের ছবি আঠা দিয়ে লাগাবেন। লাগানর পর সাই দুই কপি ছবির উপর সত্যায়িত করতে হবে যেন সিল ও সাইন ফর্ম এবং ছবি দুটার মধ্যেই পড়ে।
৪. আপনি যে পেশার সাথে জড়িত তার প্রমান স্বরূপ কাগজ নিবেন। স্টুডেন্ট এর ক্ষেত্রে আইডি কার্ডের ফটোকপি। ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ফটোকপি নিবে এবং আপনার স্থায়ী বা অস্থায়ী ঠিকানার বিদ্যুৎ বিলের ফটোকপি নিবেন।
৫. যে যার অঞ্চল অনুযায়ী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে চলে যাবেন সকালে অবশ্যই ১২.০০ টার আগে। রবিবার এবং বৃহস্পতিবার একটু ভির হয়। যেদিন জমা দিবেন সেদিনই সব কাজ কপ্লিট হয়ে যাবে তাই সুন্দর পোশাক করে যাবেন ছবি তোলার জন্য। সাদা পোশাক পরে যাবেন না এবং ফর্মের ছবিও চেস্টা করবেন সাদা পোশাক পড়ে না তুলতে।
৬. অফিসের কাজগুলো ঠিকভাবে সম্পাদন করবেন। প্রথমে কম্পিউটারের আপনার নাম ঠিকানা পুরনের পর যে কাগজ দিবে তা ভালোকরে পড়বেন কোথাও ভুল আছে কিনা দেখতে। নামের বানান বা কোথাও ভুল থাকলে সাথে সাথেই ঠিক করে নিবেন। পরবর্তিতে সব শেষ করার পর যে রিসিট টা আপনাকে দিবে সেটা যত্ন করে রেখে দিবেন। যেদিন পাসপোর্ট নিতে আসবেন সেদিন ওই রিসিট টা দেখিয়ে পাসপোর্ট ডেলিভারি নিতে হবে।
৭. পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ফর্ম পূরনের ৫-৭ দিনের মধ্যেই আপনার মোবাইলে কল করা হবে । ভেরিফিকেশনের সময় অবশ্যই আপনার বিদ্যুৎ বিলের ফটোকপি সাথে নিবেন। ভেরিফিকেশনের পর নির্ধারিত সময়ে পাসপোর্ট প্রিন্ট হয়ে রেডি হলে আপনার মোবাইলে মেসেজ আসবে অথবা আপনি নির্ধারিত সময়ের পর রিসিটে লেখা নিয়ম অনুযায়ী মেসেজ দিলে আপনার পাসপোর্ট হয়েছে কিনা জানতে পারবেন।
আমার লেখার মাধ্যমে আপনাদের সামান্য উপকার হলে আমি কৃতজ্ঞ হব। ধন্যবাদ।
(কোনো প্রকার প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন আমি সময় পেলে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব)।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন